পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি বিক্ষোভকারী গোষ্ঠীর সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর নতুন দফার সংঘর্ষে নয় জন নিহত ও আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৫
জুলাই) এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
অর্থনৈতিক
ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) সমর্থকেরা সরকারি সতর্কতা অমান্য করে এ সপ্তাহে
আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের দিকে পদযাত্রার ঘোষণা
দেন।
বিক্ষোভের
কেন্দ্রস্থল পুনছ জেলার শীর্ষ
বেসামরিক কর্মকর্তা সরদার ওয়াহিদ এএফপিকে বলেন, ‘মঙ্গলবার ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় সাত
জন বেসামরিক ব্যক্তি, এক আধাসামরিক বাহিনীর
সদস্য ও এক পুলিশ
কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।’
তিনি
আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়ার
চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ তাদের
পদযাত্রা থামিয়ে দেবে।’
গত জুনে স্থানীয় সরকার
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় জেএএসিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর এ অস্থিরতা
শুরু হয়। এরপর বিক্ষোভকারী
ও পুলিশের সংঘর্ষে ২২ জন নিহত
হন।
সরকারি
তথ্যের ভিত্তিতে এএফপির হিসাব অনুযায়ী এ সংখ্যা নির্ধারণ
করা হয়েছে।
গোষ্ঠীটির
সমর্থকেরা ‘সন্ত্রাসী’ তকমা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তারা
একে ‘নিপীড়নের’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন
এবং দাবি করেছেন, তাদের
আন্দোলনের লক্ষ্য বৈধ অর্থনৈতিক ও
রাজনৈতিক অধিকার আদায়।
এক মাসের বেশি সময় ধরে
অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের অবস্থান কর্মসূচি চলছে।
কর্তৃপক্ষ
জেএএসির প্রধান কার্যালয় সিলগালা করেছে ও সংগঠনটির কয়েক
শত সমর্থককে গ্রেফতার করেছে।
বিক্ষোভকারীরা
সড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখায় পুনছ জেলাজুড়ে অধিকাংশ
দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহনও
বন্ধ রয়েছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরেও হিমালয় অঞ্চলের এ এলাকায় কয়েক
দিন ধরে বিক্ষোভ হয়েছিল।
সে সময় সংঘর্ষে নয়
জন নিহত হয়।
এএফপি