বছর আফগানিস্তানের জনসংখ্যা .৭২ কোটিতে পৌঁছেছে। তালেবানের জাতীয় পরিসংখ্যান তথ্য কর্তৃপক্ষের শনিবার (১১ জুলাই) জনসংখ্যার এ নতুন হিসাব প্রকাশ করে।

তালেবান-নিয়ন্ত্রিত জাতীয় টেলিভিশন সংস্থাটির মুখপাত্র মোহাম্মদ হালিম রাফের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৯ শতাংশ নারী।

রাফে বলেন, জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশ বা প্রায় .৬০ কোটি মানুষ গ্রামাঞ্চলে বাস করে, যেখানে ২৬ শতাংশ বা প্রায় ৯৮ লক্ষ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করে। বাকি শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ আফগানিস্তানের যাযাবর কুচি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।

সংস্থাটির মতে, ৬৪ লক্ষ বাসিন্দা নিয়ে কাবুল দেশের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ, এরপরেই রয়েছে ২৪ লক্ষ বাসিন্দা নিয়ে হেরাত।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় আফগানিস্তানের জনসংখ্যা প্রায় লাখ বা ​​. শতাংশ বেড়েছে। গত বছর দেশটির জনসংখ্যা কোটি ৬৪ লাখ ছিল বলে অনুমান করা হয়েছিল।

এই পরিসংখ্যান পরিসংখ্যানগত অনুমানের উপর ভিত্তি করে তৈরি, কারণ কয়েক দশকের সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের কারণে আফগানিস্তান কখনও দেশব্যাপী আদমশুমারি পরিচালনা করেনি।

তালেবানের এই অনুমান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন। শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে, জাতিসংঘ মিশন অনুমান করেছে যে ২০২৬ সালে আফগানিস্তানের জনসংখ্যা কোটি ৮৬ লাখে পৌঁছাবে, যা তালেবানের অনুমানের চেয়ে প্রায় কোটি ১০ লাখ বেশি।

এই গরমিলের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না। আনুষ্ঠানিক জাতীয় আদমশুমারির অভাবে বিভিন্ন সংস্থা প্রায়শই আফগানিস্তানের জনসংখ্যা অনুমান করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি এবং জনসংখ্যাতাত্ত্বিক মডেলের উপর নির্ভর করে।

কাবুল ট্রিবিউন