তুরস্কের তুসাস থেকে ছয়টি টি১২৯ এটিএকে লাইট এ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনছে বাংলাদেশ। নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন সোমালিয়ার পর বাংলাদেশ হলো এই হেলিকপ্টারের চতুর্থ বিদেশী গ্রাহক।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট তারদেফ  জানায়, তুসাস-এর ফ্লাইট টেস্টিং ডিরেক্টর আরিফ আতেশের সফরের পর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা একটি জি২জি চুক্তির মাধ্যমে ছয়টি টি১২৯ আতাকে হেলিকপ্টার কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে টি১২৯ যুক্ত  হলে এই বাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে। এতদিন পর্যন্ত যুদ্ধ-সক্ষম হেলিকপ্টার বলতে কেবল ছিল রাশিয়ার এমআই-১৭ ইউটিলিটি হেলিকপ্টারই। এগুলো স্পনসন পাইলনের মাধ্যমে আনগাইডেড রকেট বা মেশিনগান ফিট করা থাকে। একটি বিশেষায়িত অ্যাটাক হেলিকপ্টার হিসেবে টি১২৯- আরও অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সেন্সর রয়েছে। এতে রয়েছে গাইডেড মিসাইল, ২০ মিমি রোটারি ক্যানন এবং একটি জিম্বল ইও/আইআর সিস্টেম।

ইতালীর এ১২৯ মাঙ্গুস্তা লাইটওয়েট অ্যাটাক হেলিকপ্টারের আদলে তৈরি টি১২৯ এটিএকে’র রয়েছে টুইন সিটিএস৮০০ টার্বোশ্যাফট ইঞ্জিন। হেলিকপ্টারটি আসেলসানের তৈরি বিভিন্ন অ্যাভিওনিক্স এবং সেন্সর ব্যবহার করে। এর বেশিরভাগ অস্ত্রশস্ত্র রকেটসানের তৈরি।

টি১২৯ এটিএকে’র অস্ত্রশস্ত্রের বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ২০ মিমি ট্রিপল-ব্যারেল রোটারি ক্যানন, সিরিট ৭০ মিমি লেজার-গাইডেড মিসাইল (চার-রাউন্ড স্মার্ট পড), আনগাইডেড ৭০ মিমি রকেট, ইত্যাদি। প্রয়োজনে হেলিকপ্টারটিতে একটি জ্যামার পড লাগানো যেতে পারে।