চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশের ২৪টি চীনা জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার কথিত পরিকল্পনাকে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো একটি গতানুগতিক যুদ্ধবিমান সংগ্রহ কর্মসূচি হিসেবে দেখতে নারাজ। পরিবর্তে তারা একে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক বিমানশক্তিতে একটি কাঠামোগত রূপান্তর হিসেবেই দেখছে।

প্রস্তাবিত ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই জি-টু-জি প্যাকেজে প্রশিক্ষণ, রসদ, রক্ষণাবেক্ষণ, খুচরা যন্ত্রাংশ, টেকসই অবকাঠামো এবং প্রায় ২০৩৫ বা ২০৩৬ সাল পর্যন্ত প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে। ভারতীয় সামরিক পরিকল্পনাকারীরা মনে করেন, এই সংগ্রহের তাৎপর্য বাংলাদেশের তাৎক্ষণিক যুদ্ধ সক্ষমতার চেয়ে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় ও পশ্চিমাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্রগুলোকে ঘিরে একই সাথে একটি অত্যাধুনিক চীনা ওয়ার-ইকোসিস্টেমের উত্থানের মধ্যেই বেশি নিহিত।

নয়াদিল্লির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের যুক্তি, বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্তিতে সেই একই চিত্র সামনে আসবে। এসব বিমান পাকিস্তান ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান আকাশপথে সংঘর্ষের সময় ব্যবহার করেছিল।

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’কে ঘিরে পাকিস্তান ও চীন-সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করে যে, দৃষ্টিসীমার বাইরের থেকে শত্রুকে ঘায়েল করতে সক্ষম পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত জে-১০সিই যুদ্ধবিমানগুলো ভারতীয় রাফালসহ অন্যান্য যুদ্ধবিমানকে সফলভাবে মোকাবিলা করেছিল।

তাই, ভারতীয় প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকারীরা একাধিক সীমান্ত যুদ্ধ-পরীক্ষিত চীনা যুদ্ধবিমান ব্যবস্থার উত্থানকে একটি বড় মতাদর্শগত ও অভিযানগত উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

এই আলোচনার সময়কাল ভারতীয় উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, কারণ ২৪ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে চীনা নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের আলোচনার কৌশলগত বিষয়গুলো স্থান পায় বলে জানা গেছে। কর্মকর্তারা চলতি আগস্ট মাসেই একটি সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন।

চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে যুদ্ধবিমানগুলো সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত থাকায় ভারতের উদ্বেগ আরো বেড়েছে।

ভারতীয় বিশ্লেষকরা বলেন, উদ্বেগের বিষয় এটা নয় যে, ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০-এর অধীনে পুরোনো বিমানবহরকে আধুনিকীকরণের সার্বভৌম অধিকার বাংলাদেশের আছে কি না। বরং, কৌশলগত উদ্বেগটি হলো চীনা-উৎসের উন্নত যুদ্ধবিমান, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতার ভৌগোলিক নৈকট্য, চীনের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নির্ভরশীলতা এবং বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা পরিমণ্ডলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের নির্দিষ্ট সংমিশ্রণকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে।

সামরিক পর্যবেক্ষকরা আরও উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ হবে জে-১০সিই যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ব্যবহারকারী, যা ভারতের একাধিক প্রবেশপথে অবস্থিত চীনা যুদ্ধবিমান-সজ্জিত বিমান বাহিনীগুলোর মধ্যে একটি অভিন্ন পরিচালনগত সামঞ্জস্য তৈরি করবে।

এর ফলে চীনা রাডার ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ কৌশল, রসদ সরবরাহ কাঠামো এবং পাইলট প্রশিক্ষণের মানের যে সমন্বয় ঘটছে, তাকে ভারতে একটি বিচ্ছিন্ন ক্রয় লেনদেনের পরিবর্তে ক্রমবর্ধমানভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত উন্নয়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের কৌশলগত পরিধি জুড়ে অভিন্ন নেটওয়ার্কের উদ্ভব

ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা ক্রমবর্ধমানভাবে বাংলাদেশের এই বিমান ক্রয়কে ভারতের নিরাপত্তা কাঠামোকে ঘিরে থাকা একাধিক আঞ্চলিক ফ্রন্ট জুড়ে বিস্তৃত একটি প্রমিত চীনা-উৎস কৌশলগত বিমান ইকোসিস্টেমের উত্থান হিসেবে বর্ণনা করছেন।

পাকিস্তান ইতোমধ্যেই ২০টিরও বেশি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে এবং আরও বিমানের অর্ডার দেওয়ার কথা রয়েছে। ইসলামাবাদ চীনা মহাকাশ প্রযুক্তি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ডকট্রিনের সাথে তার অপারেশনাল একীকরণকে আরও জোরদার করছে।

বাংলাদেশ যদি একই প্ল্যাটফর্ম মোতায়েন করে, তবে ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত সম্ভবত একই সাথে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় ফ্রন্টে অভিন্ন চীনা-উৎস এভিওনিক্স, অস্ত্র একীকরণ স্থাপত্য এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার মুখোমুখি হবে।

জে-১০সিই-তে পিএল-১৫ বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন ভারতীয় পরিকল্পনাকারীদের জন্য বিশেষভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতের বেশ কয়েকটি পুরোনো ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বেশি পাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানা গেছে।

ভারতীয় অপারেশনাল পরিকল্পনাকারীরা আশঙ্কা করছেন যে একাধিক প্রতিবেশী বিমান বাহিনীতে পিএল-১৫ এর প্রমিত মোতায়েন একই সাথে দুটি প্রধান রণাঙ্গনে কৌশলগত মিশন পরিকল্পনা, আকাশপথে আগাম সতর্কীকরণ সমন্বয় এবং যুদ্ধবিমানের টিকে থাকার সম্ভাব্যতা গণনাকে জটিল করে তুলতে পারে।

সামরিক বিশ্লেষকরা আরও সতর্ক করেছেন যে, চীনের অভিন্ন ডেটা-লিঙ্ক প্রোটোকল, সেন্সর ফিউশন আর্কিটেকচার এবং পাইলট প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ভবিষ্যতে আঞ্চলিক সংকটের সময় চীনা-সজ্জিত আঞ্চলিক বিমান বাহিনীগুলোর মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা বাড়াতে পারে।

যদিও বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করে, ভারতীয় কৌশলবিদরা আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট নির্বিশেষে ভারতের কৌশলগত ভূগোলের আশেপাশে একই ধরনের চীনা যুদ্ধ ব্যবস্থার পরিচালনার অপারেশনাল পরিণতির উপর ক্রমবর্ধমানভাবে মনোযোগ দিচ্ছেন।

তাই ভারতীয় পরিকল্পনাকারীরা মূল্যায়ন করছেন যে, একই চীনা কৌশলগত বিমান চালনা মতবাদের যুগপৎ সংস্পর্শ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক বিস্তারের ঝুঁকি, রাডার সিগনেচার ব্যবস্থাপনা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সহনশীলতা এবং দূরপাল্লার বাধা প্রদানের কৌশলকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

এই উদ্বেগ নিছক সংখ্যাগত তুলনার বাইরেও বিস্তৃত, কারণ ভারতের ইস্টার্ন এয়ার কমান্ড এসইউ-৩০এমকেআই স্কোয়াড্রন, রাফাল, স্তরযুক্ত সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বৃহত্তর সামগ্রিক শক্তি কাঠামোর মাধ্যমে যথেষ্ট সুবিধা ধরে রেখেছে।

এর পরিবর্তে, ভারতীয় নিরাপত্তা আলোচনায় ক্রমবর্ধমানভাবে এই বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে যে, একাধিক রণাঙ্গনে একই চীনা কৌশলগত ব্যবস্থার সাথে বারবার সংস্পর্শে আসা কীভাবে ভবিষ্যতের তীব্র সংঘাতের সময় ভারতের অভিযানগত পূর্বাভাসযোগ্যতার সুবিধাগুলোকে ধীরে ধীরে ক্ষুণ্ণ করতে পারে।

কৌশলগত পর্যবেক্ষকরা লক্ষ্য করেছেন যে, চীনের প্রতিরক্ষা রপ্তানি কৌশলটি ক্রমবর্ধমানভাবে এমনভাবে পরিকল্পিত বলে মনে হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে চীনা যুদ্ধ ব্যবস্থাগুলোকে স্বাভাবিক করে তোলা এবং একই সাথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সামরিক বাহিনীকে চীনের দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ ও টেকসইকরণ কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা।

এই পরিবর্তনশীল সামরিক-প্রযুক্তিগত পরিবেশের কারণেই ভারতীয় প্রতিরক্ষা ভাষ্যকাররা বাংলাদেশের জে-১০সিই আলোচনাকে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বিপাক্ষিক ক্রয় কর্মসূচির পরিবর্তে একটি বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ক্রমবর্ধমানভাবে চিহ্নিত করছেন।

 ‘চিকেন নেক-এর কৌশলগত সমীকরণ বদলে দিতে পারে লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি

বাংলাদেশের যুদ্ধবিমান আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা এবং লালমনিরহাট বিমানঘাঁটির সম্ভাব্য পুনর্নির্মাণের মধ্যেকার কথিত যোগসূত্রটি ভারতের নিরাপত্তা হিসাব-নিকাশের অন্যতম সংবেদনশীল একটি দিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

লালমনিরহাটের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন এই বিমানঘাঁটিটি শিলিগুড়ি করিডোরের কাছে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র প্রায় ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

শিলিগুড়ি করিডোর, যাকে প্রায়শই ভারতের "চিকেন নেক" বলা হয়, সেটি প্রায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি সংকীর্ণ স্থলসেতু যা ভারতের মূল ভূখণ্ডকে এর আটটি উত্তর-পূর্ব রাজ্যের সাথে সংযুক্ত করে।

ভারতীয় সামরিক মতবাদ ঐতিহাসিকভাবে এই করিডোরটিকে দেশের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ কৌশলগত সংকীর্ণ পথ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে, কারণ এতে কোনো বিঘ্ন ঘটলে তা সমগ্র উত্তর-পূর্ব অঞ্চল জুড়ে সামরিক শক্তিবৃদ্ধি, রসদ সরবরাহ এবং বেসামরিক যোগাযোগকে জটিল করে তুলতে পারে।

তাই ভারতীয় বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন যে, ভবিষ্যতে লালমনিরহাটের কাছে উন্নত মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হলে তা পূর্বাঞ্চলীয় যুদ্ধক্ষেত্র-সম্পর্কিত আঞ্চলিক জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার সময়সীমাকে নাটকীয়ভাবে সংকুচিত করতে পারে।

জে-১০সিই-এর এইসা রাডার, দূরপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, নির্ভুল আঘাত হানার ক্ষমতা এবং বহুমুখী সক্ষমতার সমন্বয়, তাত্ত্বিকভাবে, উত্তেজনা বৃদ্ধির সময় করিডোরের কাছাকাছি দ্রুত বাধা প্রদান, নজরদারি বা প্রতিরোধমূলক অভিযানে সহায়তা করতে পারে।

সংবেদনশীল ভারতীয় সৈন্য চলাচল করিডোর এবং রসদ পরিকাঠামোর কাছাকাছি পরিচালিত উন্নত আকাশবাহিত সেন্সরগুলোর সাথে সম্পর্কিত সম্ভাব্য গোয়েন্দা, নজরদারি এবং পর্যবেক্ষণমূলক প্রভাবের দিকেও ভারতীয় পর্যবেক্ষকরা ক্রমবর্ধমানভাবে মনোনিবেশ করছেন।

উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে কারণ কিছু ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ভবিষ্যতের বিমানঘাঁটির আধুনিকায়নে চীনের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যদিও বাংলাদেশ ২০২৫ সালের মে মাসে প্রকাশ্যে জানিয়েছিল যে লালমনিরহাটের জন্য বর্তমানে কোনো সামরিক ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই।

ভারতের আনুষ্ঠানিক অবস্থান, যার মধ্যে ২০২৫ সালের আগস্টে প্রদত্ত সংসদীয় প্রতিক্রিয়াও অন্তর্ভুক্ত, বিমানঘাঁটি সম্পর্কিত প্রতিবেদনগুলো সম্পর্কে সচেতনতার কথা স্বীকার করেছে এবং একই সাথে জোর দিয়েছে যে প্রয়োজনীয় জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে বিবেচনাধীন রয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, স্থায়ী চীনা সামরিক উপস্থিতি না থাকলেও, চীনা-নির্মিত পরিকাঠামো এবং চীনা যুদ্ধবিমান উত্তর-পূর্ব ভারতীয় অভিযানিক গতিবিধির আশেপাশে যথেষ্ট কৌশলগত গোয়েন্দা সুবিধা তৈরি করতে পারে।

লালমনিরহাট এবং শিলিগুড়ি করিডোরের ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে, এমনকি সীমিত পরিসরে যুদ্ধবিমান অগ্রবর্তী মোতায়েনের পরিস্থিতিও ভারতীয় প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কাঠামোর উপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক ও অভিযানগত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

এ কারণেই, বাংলাদেশ তার নিজস্ব প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর বৈধ সার্বভৌম কর্তৃত্ব বজায় রাখেএই বিষয়টি বারবার স্বীকার করা সত্ত্বেও, উত্তর বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের উপর ভারতীয় নজরদারি তীব্রতর হয়েছে।

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া থেকে অনুদিত