“তিস্তা–উত্তরের জীবনরেখা!” তিস্তা ব্যারাজ ঘুরে দেখার পর এভাবেই ফেসবুক পোস্টে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ক্রিস্টেনসেন। তিনি আরো লিখেন, ”দিগন্তে হিমালয়! তেতুলিয়া তুমি সুন্দর!”
উত্তরাঞ্চলের
পাঁচ জেলায় তিন দিনের সফরের
অংশ হিসেবে রোববার (৩০ আগস্ট) তিনি নীলফামারীর ডালিয়ায়
দেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় সঙ্গে
ছিলেন স্ত্রী ডিয়ান ডাও এবং মার্কিন
দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
পরি মার্কিন
দূতাবাসের ভেডিফায়েড ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রদূতের সফরের ছবি পোস্ট করা হয়।
রাষ্ট্রদূতের
ব্যারাজ পরিদর্শনের সময় সময়
অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের
(অ্যাব) আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের
মহাপরিচালক প্রকৌশলী রুহুল আমিন, পানি উন্নয়ন বোর্ড
রংপুর উত্তরাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) ড. মোহাম্মদ
সফরাজ বান্দা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) প্রকৌশলী মো.
আহসান হাবিব, প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান,
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামান এবং লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপজন মিত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে
মার্কিন রাষ্ট্রদূত তিস্তা নদীর বর্তমান পরিস্থিতি,
নাব্যতা সংকট এবং সেচ
প্রকল্পের বাস্তব কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরে
তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের
স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়
সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায়
পানি ব্যবস্থাপনা, নদী সংস্কার এবং
শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে স্থানীয় কৃষকদের ওপর সৃষ্ট প্রভাব
সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়। মতবিনিময়
সভায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত আঞ্চলিক পানি ব্যবস্থাপনা এবং
তিস্তা অববাহিকার নদীমাতৃক জনপদের আর্থসামাজিক অবস্থার প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এর আগে রোববার সকাল
৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকা
থেকে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
সেখান
থেকে তিনি রংপুরের গঙ্গাচড়া
উপজেলার বেতগাড়ীতে ‘প্যারাগন ডেইরি’ দুগ্ধ খামার পরিদর্শন
করেন।
বাসস