ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) তাদের দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র (এসএএম) ‘কুশ’র প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেছে।
ভারতের
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (এমওডি) ২৩ জুলাই জানিয়েছে
যে, ওড়িশার উত্তর-পূর্ব উপকূলের ডঃ এপিজে আব্দুল
কালাম দ্বীপে একটি ইলেকট্রনিক টার্গেটের
ওপর এই পরীক্ষা চালানো
হয়, যা একটি “উচ্চ-গতি এবং অতি-উচ্চতার আকাশপথে হুমকি” অনুকরণ করছিল। এমওডি আরও জানিয়েছে যে,
ইলেকট্রনিক টার্গেটটি “ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দ্বারা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে”।
এমওডি জানায়,
‘কুশ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, মনুষ্যবিহীন আকাশযান এবং বড় আকাশযানসহ
বিভিন্ন আকাশপথে হুমকি মোকাবেলার জন্য তৈরি করা
হয়েছে।
তবে,
তারা এই ব্যবস্থার পাল্লা
বা কার্যকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এমওডি প্রকাশিত
ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, ক্ষেপণাস্ত্রটির একটি নলাকার কাঠামো
রয়েছে যার শীর্ষে একটি
সূচালো অগ্রভাগ আছে, যা সম্ভবত
একটি গাইডেন্স সিকার ধারণকারী রেডোমের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির
কাঠামো বরাবর তিনটি পৃথক অ্যারোডাইনামিক কন্ট্রোল
সারফেসের সেট অন্তর্ভুক্ত বলে
মনে হয়। ছোট সম্মুখ
কন্ট্রোল সারফেসগুলো অগ্রভাগের ঠিক পিছনে অবস্থিত,
এবং দ্বিতীয় সেট ছোট ফিনগুলো
ক্ষেপণাস্ত্রটির মধ্যভাগের চারপাশে অবস্থিত। বড় ক্রুশাকার লেজের
ফিনগুলো প্রোপালশন সিস্টেমের কাছাকাছি পশ্চাৎ অংশে লাগানো আছে।
ক্ষেপণাস্ত্রটি
একটি উল্লম্ব-উৎক্ষেপণ কনফিগারেশন ব্যবহার করে বলে মনে
হয়। লঞ্চার থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি বের
হওয়ার সময় দৃশ্যমান ধোঁয়ার
কুণ্ডলী একটি হট-লঞ্চ
পদ্ধতির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে মূল প্রোপালশন সিস্টেমটি
লঞ্চ ক্যানিস্টারের ভিতরে বা বের হওয়ার
সাথে সাথেই জ্বলে ওঠে।
ক্ষেপণাস্ত্রটির
নিচের অংশে কাঠামোর জ্যামিতিতে
একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন পৃথক প্রোপালশন বা
কাঠামোগত পর্যায়ের ইঙ্গিত হতে পারে।
জেনেস