একটা দেশকে ফিজিক্যাল কলোনি বানানোর আগে প্রথম যে কাজটা করতে হয় সেটা হচ্ছে তাকে ইন্টেলেকচুয়াল কলোনিতে রূপান্তরিত করা। তাকে প্রতিনিয়ত বোঝানো যে- তোমার কোনো সংস্কৃতি নাই।
থাকলেও তোমার সংস্কৃতি লো কালচার। যেমন ধরেনঃ লালনের গান। হেজেমনিক কালচারের ফ্রেমের সাথে মিলছে না বলে এটাকে হাই আর্ট মানতে পারলো না আমাদের উপনিবেশিক মন। ভদ্রসমাজ তখন চিন্তা করলো এটাকে নিয়ে কি করা যায়? সহজ সমাধান হিসাবে ট্যাগ দিয়ে দিলো ‘ফোক’। মানে মেইনস্ট্রিম না, সাব কালচার। তারপর ধরেন রক মিউজিক। এটা নিয়েও ভদ্রসমাজ বিপদে পড়ে গেলো। একেতো তাদের সেট করা ‘হেজেমনিক ফ্রেমে’ হাই আর্ট হিসাবে ধরা যাচ্ছে না। সহজ সমাধান করলো ট্যাগ দিয়ে ‘অপসংস্কৃতি’।
এইভাবে আমাদের রাষ্ট্র বা এস্টাবলিশমেন্ট চিরকাল আমাদের গৌরবময় ঐশ্বর্যগুলোকে রাষ্ট্রীয় উদযাপন ও স্বীকৃতির বাইরে রেখেছে।
চব্বিশ পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রের দায় হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের চর্চা এবং অংশগ্রহণে যে সংস্কৃতি আন্তর্জাতিকমানের হয়ে উঠেছে সেটাকে সেলিব্রেট করা। এই সেলিব্রেশন জাতিকে আত্মবিশ্বাসী ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ করে তোলে। পাশাপাশি এই সেলিব্রেশন বাইরের দুনিয়ায় আমাদের নিজেদের কালচারাল আইডেন্টিটি তৈরিতে সাহায্য করে।
এর প্রথম ধাপ হিসাবে আজকে ক্যাবিনেটে লালনের তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণীর জাতীয় দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে আরো কয়েকজন কালচারাল আইকন এবং কনটেমপোরারি মাস্টারকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এস এম সুলতানের জন্মদিনকে ‘ক’ শ্রেনীর জাতীয় দিবস হিসাবে উদযাপন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর পাশাপাশি আলোচনা করেছি, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বড় কালচারাল ফেনোমেনাগুলো নিয়ে। যেমন হুমায়ুন আহমেদ। আমার মনে হয় না তাঁর চেয়ে বেশি ইমপ্যাক্ট আমাদের লেখকদের মধ্যে কেউ রাখতে পেরেছেন। আলোচনা করেছি বাংলাদেশী রক আইকন সেলিব্রেট করার বিষয়ে।
লালন সেলিব্রেট করার মধ্য দিয়ে আমরা রবীন্দ্র-নজরুলের পাশাপাশি চেনা ছকের বাইরে তাকাতে শুরু করলাম। এটা কেবল শুরু। আমি নিশ্চিত সেদিন বেশি দুরে না যখন কনটেমপোরারি মাস্টার আর্টিস্টদেরও আমরা সেলিব্রেট করবো রাষ্ট্রীয়ভাবে। ধরা যাক, আইয়ুব বাচ্চুর কথাই। বাংলাদেশের এমন কোনো বর্গকিলোমিটার এলাকা পাওয়া যাবে না যেখানে তার গান বাজে নাই। তার মানের মিউজিয়াশিয়ান যে কোনো দেশের জন্যই গর্বের। তাঁর জন্মদিন রাষ্ট্রীয় ভাবে উদযাপন করতে মৃত্যুর কতশো বছর পর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে?
দ্য আনসার, মাই ফ্রেন্ড, ইজ ব্লোয়িং ইন দ্য উইন্ড।
(লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে)
ভারতের গোয়েন্দা
সংস্থা ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং’ (আরএণ্ডএডব্লিউ) বা েসংক্ষেপে ‘র’-এর প্রধানসহ আরও
তিনজন কর্মকর্তা ৯ আগস্ট - ১০
আগস্ট ঢাকা সফর করেন
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদ...
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি-ইটালিকে মানবতাবিরোধী
অপরাধী নাতসি ও ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে এতোটুকু বেগ পেতে হয়নি। অথচ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের
পর বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধী ফ্যাসিস্টমুক্ত করা ...
সৌদি আরবের
নেতৃত্বাধীন প্রস্তাবিত বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের যৌথ বিবৃতিতে সমর্থন দিয়েছে
বাংলাদেশ। তবে এই সমর্থন সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নয়। এমনকি বাংলাদেশ
নৌবাহিনী আদৌ য...
আমাদের
দেশের সামরিক বাহিনী কেন্দ্রিক নানা বিষয়ে ভারতীয়
গণমাধ্যমের প্রবল আগ্রহ বেশ চোখে পড়ার
মতো, শুধু তাই নয়,
আমাদের বাহিনী প্রধানরা মুখে দাড়ি রাখবেন
নাকি গোঁফ সেসব নিয়েও
তাদের টকশো'র আয়োজন
...
পাকিস্তান নৌবাহিনীর বহরে অত্যাধুনিক এয়ার ইন্ডিপেনডেন্ট প্রোপালশন (এআইপি) সমৃদ্ধ হাঙ্গর শ্রেণীর সাবমেরিন সংযুক্ত হয়েছে।
এ ধরণের মোট আটটি সাবমেরিন সংগ্রহ করবে দেশটি।
এর চারটি তৈরি হবে চীনে। বাকি ...
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ চলমান। চলছে হামলা-পাল্টা হামলা। এ যুদ্ধ দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। থামানোর উদ্যোগও নেই। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মুখে বললেও কবে নাগাদ যুদ্ধ থামবে তার কোনো ঠিক নেই...
১. অংশীদারিত্বের মূলনীতি
* যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নিরাপত্তা সহযোগিতা জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আদর্শ ও নীতিমালার প্রতি পারস্পরিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
২. সমুদ্র নিরাপত্তা সহযোগিতা
* যুক্তরাষ্ট্রের রাজ...
বাংলাদেশের সঙ্গে চলতি বছরের মধ্যে একটি বিশেষায়িত প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করতে আগ্রহী জাপান। চুক্তিটি সই হলে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হবে...
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চার দিনের সরকারি চীন সফরে বাণিজ্য ও সবুজ প্রযুক্তি
বিষয়ক বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা প্রত্যা...
কম বয়সী শিশুদের সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখতে
বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি থাকাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোম্পানিগুলো কীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করবে...