ইরান ঘিরে চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নাম উঠে এসেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ব্রিটিশ পত্রিকা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান এই সংঘাতের আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে আগ্রহী। এ উদ্দেশ্যে দেশটি তাদের রাজধানী ইসলামাবাদকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য বৈঠকের স্থান হিসেবে প্রস্তাব করেছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ আসেনি, তবু ওয়াশিংটনের অনেক বিশ্লেষকের কাছে পাকিস্তানের এই উদ্যোগ অপ্রত্যাশিত নয়।
পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কও উষ্ণ ছিল।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা প্রধান আসিফ মুনির গত বছরের জুন ও সেপ্টেম্বরে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তার সঙ্গে ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
এছাড়া জুন ও অক্টোবরে পাকিস্তান ট্রাম্পকে ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়। এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের অনেকের কাছেই ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়।