ইরান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। একই সাথে ওয়াশিংটন ক্রমেই বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা এই যুদ্ধ থেকে কূটনৈতিকভাবে বেরিয়ে আসার কোনো পথ খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করছে তেহরান।
পরিবর্তে, তেহরান তার প্রতিবেশীদের উপর আক্রমণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা ভাবছে যে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক শক্তি দিয়ে যে পরিমাণ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক যন্ত্রণা কমাতে পারবে, তার চেয়ে দ্রুত গতিতে ইরান তা বাড়িয়ে দিতে পারবে। এই অভিমত একজন ইরানি কূটনীতিক, মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত দুজন ইউরোপীয় কূটনীতিক এবং একজন ঊর্ধ্বতন আরব কর্মকর্তার - যাদের সংবেদনশীল বিবরণ সম্পর্কে গণমাধ্যমকে তথ্য দেওয়ার জন্য অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন।
ইরানের আত্মসমর্পণ করতে না চাওয়ার বিষয়টি হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের ক্ষমতার সাথে জড়িত। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন হয়, যা তেহরান মূলত বন্ধ করে দিয়েছে এবং এর ফলে জ্বালানি বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ইরানকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি পুনরায় খোলার জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছেন এবং তেহরান তা না মানলে দেশটির বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
ইরানি কূটনীতিকের মতে, প্রণালীটি আংশিকভাবে বন্ধ করে ইরান “আগ্রাসীদের জন্য এই আগ্রাসনকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল করে তুলতে”চাইছে। তিনি বলেন, “আমরা ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সামরিক পরাশক্তির বিরুদ্ধে একা।”
আরব কর্মকর্তা এবং ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বলেছেন, ইরানের নেতারা প্রণালীটি নিয়ন্ত্রণ করার এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাকে একটি স্বল্পমেয়াদী বিজয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু যুদ্ধ যত বিস্তৃত হচ্ছে এবং ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্রমবর্ধমানভাবে হুমকির মুখে পড়ছে, দেশটির নেতৃত্ব দীর্ঘমেয়াদে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা নিয়েও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন বলে তারা জানান। “যতদিন এই শাসনব্যবস্থা ক্ষমতায় থাকবে, তারা এই অঞ্চলে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারবে, তারা তেল ও গ্যাসের দাম বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারকে আতঙ্কিত করে। হ্যাঁ, তাদের কাছে জয় মানে এটাই, “বলেছেন পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক। “আলোচনার জন্য তারা কোনো চাপ অনুভব করে না।”
ওই কূটনীতিক মনে করেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্রদের জন্য এই সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব “মাঝারি” পর্যায়ে রয়েছে, যা এমন ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছায়নি যে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনার জন্য চাপ বাড়বে। তবে, জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্য ওয়াশিংটনে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়ার আগে, পেন্টাগন এই গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ পথের চারপাশে অভিযান জোরদার করছিল, বিমান হামলা বাড়াচ্ছিল এবং এলাকায় অতিরিক্ত এ্যাটাক হেলিকপ্টার মোতায়েন করছিল। শক্তি প্রয়োগ করে প্রণালীটি খোলার জন্য ইরানের অবস্থানগুলো খালি করা প্রয়োজন, যাতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ট্যাংকারগুলোকে এসকর্ট করে নিয়ে যেতে পারে।
ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট শুক্রবার জাহাজে বোঝাই করা ইরানি অপরিশোধিত তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে জ্বালানি বাজারকে সহজ করার চেষ্টা করেছে।
আরব কর্মকর্তা এবং ইউরোপীয় কূটনীতিকদের মতে, কাতার ও ওমানের কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইরানের সাথে যোগাযোগ শুরু করেন, কারণ তারা দেখেছেন যে বিপুল মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক শক্তি অদূর ভবিষ্যতে ইরান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না। ইরান জবাবে বলেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথমে হামলা বন্ধ করলেই কেবল তারা আলোচনায় অংশ নেবে।
“১২ দিনের যুদ্ধের মতো অকাল যুদ্ধবিরতিতে ইরান রাজি নয়”, বলেন ওই ইরানি কূটনীতিক। তিনি গত বছর ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সেই সংঘাতের কথা উল্লেখ করেন, যে সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছিল। তিনি বলেন, এবার ইরান মার্কিন স্বার্থের ওপর হামলা বন্ধ করতে রাজি হবে না, যদি না ওয়াশিংটন যুদ্ধজনিত ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণসহ বেশ কিছু ‘অনগ্রাসন’ গ্যারান্টিতে রাজি হয় — যা তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে পুনরায় হামলা চালানো থেকে বিরত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়।
কূটনীতিক ট্রাম্পের কাছে যুদ্ধ আরও বাড়ার আগেই তা শেষ করার আবেদন জানান। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের একটি জলাভূমিতে আটকে পড়ার এটাই শুরু। এখান থেকে বের হওয়ার আর কোনো পথ নেই।”
পেন্টাগনের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে ১৫,০০০-এরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় সামরিক অবকাঠামো, পৌর ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং শীর্ষ নেতৃত্বের পদগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সংঘাতে ১,২০০-এরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি স্কুলে হামলায় নিহত ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ রয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।
শুধু গত এক সপ্তাহের মধ্যেই ইসরায়েলি হামলায় ইরানের চারজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি।
এই সংঘাত আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্রে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান কাতার, সৌদি আরব এবং কুয়েতে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে কাতারের একটি প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনার শত শত কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে।
ওয়াশিংটনের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ফেলো অ্যালান আয়ার বলেন, “আমরা এখনও উত্তেজনা বৃদ্ধির পথেই আছি।” তিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা হিসেবে ইরান বিষয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, দেশটির নেতারা মনে করেন যে যথেষ্ট অর্থনৈতিক যন্ত্রণা দিলে তারা ট্রাম্পকে পিছু হটতে বাধ্য করতে পারবেন। “ইরান এখনও তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করতে পারেনি, তারা এখনও খরচ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।”
ইরানের একজন সাবেক ইউরোপীয় কর্মকর্তার মতে, পরপর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ড তেহরানকে আলোচনা থেকে নিরুৎসাহিত করেছে বলে মনে হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, বিশেষ করে লারিজানির হত্যাকাণ্ড আলোচনার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, কারণ পশ্চিমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য তিনিই ছিলেন সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
বছরের পর বছর ধরে লারিজানি ইউরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি গোপন যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন এবং নিহত হওয়ার আগে এমন খবর ছিল যে তিনি মস্কোর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার উপায় খুঁজছিলেন, বলেছেন ওই কর্মকর্তা।
ওই কর্মকর্তা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডগুলো হলো “নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির চেয়েও বেশিদিন টিকে থাকার জন্য নির্মিত একটি ব্যবস্থার কঠিন পরীক্ষা।” তিনি বলেন, স্বল্প মেয়াদে এই গুপ্তহত্যাগুলো ইরানের শাসকগোষ্ঠীর জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে। “দীর্ঘ মেয়াদে, আমি মনে করি এটি প্রতিরোধকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।”
শুক্রবার ফার্সি নববর্ষ নওরোজ উপলক্ষে ইরানি নেতাদের পাঠানো বার্তাগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল প্রতিরোধের বার্তা। তারা এই সংঘাতে প্রিয়জন হারানোদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তবে এও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে ইরানের শত্রুরা পরাজিত হবে।
ছুটির প্রাক্কালে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তিনটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘোষণা দেয়। জানুয়ারিতে সামরিক শক্তির হুমকি দিয়ে শত শত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া থেকে ট্রাম্প বিরত রেখেছেন বলে দাবি করার পর, সরকারের স্বীকার করা এটিই প্রথম কয়েকটি মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে অন্যতম। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এই বিচারিক প্রক্রিয়া এবং মৃত্যুদণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে।
যাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ছিলেন দেশের জাতীয় কুস্তি দলের ১৯ বছর বয়সী সদস্য সালেহ মোহাম্মদী, যার বিরুদ্ধে চলতি বছরের শুরুতে হওয়া বিক্ষোভের সময় পুলিশকে আক্রমণ করার অভিযোগ ছিল। সেই বিক্ষোভের জবাবে ইরান ব্যাপক সহিংসতা চালায় এবং এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেন, “নতুন বছর হবে ইরানের শত্রুদের ওপর কঠোর আঘাত হানার বছর।” তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে দেশটি “এই ঝড় থেকে গর্বের সাথে এবং আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে বেরিয়ে আসবে।”
ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি শুক্রবার একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, ধারণা করা হচ্ছে যে হামলায় তার বাবা নিহত হওয়ার পর তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।
ইরানের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং বর্তমানে ওয়াশিংটনের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘ফাউন্ডেশন ফর দ্য ডিফেন্স অফ ডেমোক্রেসিস’-এর সিনিয়র ফেলো রিউয়েল মার্ক গেরেক্ট বলেছেন, জনসমক্ষে দেখানো দম্ভের আড়ালে ইরানের নেতৃত্ব যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লড়াই করছে। এই থিঙ্ক ট্যাঙ্কটি ইরানের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য পরিচিত।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে যে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সম্মুখীন হতে হয়েছে, সেদিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তারা সবসময় অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে চিন্তা করে এবং তারা জানে... ভদ্রভাবে বলতে গেলে, তারা বিরাগভাজন হবে।” একটি দীর্ঘ সংঘাত হয়তো স্বল্পমেয়াদে ইরানের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হিতে বিপরীত হবে।
তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত, একটি দীর্ঘ যুদ্ধে ইরানে প্রায় কিছুই আর কার্যকর হবে না।” গেরেক্ট বলেন, হাজার হাজার মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ইরানের সরকারকে বিদ্যমান অসন্তোষ নিরসনে কম সক্ষম করে তুলবে এবং এটি গণ-অসন্তোষের নতুন ঢেউ জাগিয়ে তুলতে পারে।
তিনি বলেন, “তাদের (ইরানের ক্ষমতাসীনদের) জন্য সবচেয়ে সংকটপূর্ণ মুহূর্ত যুদ্ধের সময় নয়, যখন তারা প্রচণ্ড আক্রমণের মুখেও টিকে থাকে, বরং সেই মুহূর্ত যখন আক্রমণ থেমে যায়।”
ওয়াশিংটন পোস্ট থেকে অনুবাদ
ভারতের বর্তমান
সরকারকে অপসারণের সময় এসে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরেই তিনি এই মন্তব্য করেন। সরকারি পরীক্ষার
প্রশ্নপত্র...
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের
মালদহ জেলায় প্রায় ৬৫০ বছর পুরোনো আদিনা মসজিদকে ঘিরে নতুন করে মন্দির–মসজিদ
বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির এক নেতার নেতৃত্বাধীন উগ্র হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন মসজিদের
বাইরে পূজা–অর্চনা...
বাংলাদেশের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান উদীয়মান ও আন্তঃদেশীয় হুমকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা
জোরদার করতে আসিয়ান এবং এর অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে বাংলাদেশের
অঙ্গীকার পুনর্ব্...
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাস্তায় গতকাল বুধবার গভীর রাতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবার পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আন্দোলনকার...
ভারতে
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিচার দ্রুত করার আশ্বাস দিলেন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু সেই আশ্বাসকে আমলে
না নিয়ে আন্দোলনরত ককরোচ
জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়ে দিল, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র
প...
দারখোভিন
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণস্থলে বোমা হামলার জন্য
ইরানের পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রক সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা জানিয়েছে।এক বিবৃতিতে ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (এওইআই) বলেছে, য...
পশ্চিমবঙ্গে
এসে বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শনের পর ‘চিকেনস নেক’
বা শিলিগুড়ি করিডরে নিরাপত্তা জোরদার করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্...
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চার দিনের সরকারি চীন সফরে বাণিজ্য ও সবুজ প্রযুক্তি
বিষয়ক বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা প্রত্যা...
ফিলিস্তিনের
স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস প্রায় দুই দশক ধরে গাজা উপত্যকা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক
সংস্থাটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে য...