তৈমুর ক্ষেপণাস্ত্রের জাহাজ-বিধ্বংসী সংস্করণ পরীক্ষা করেছে পাকিস্তান

তৈমুর ক্ষেপণাস্ত্রের জাহাজ-বিধ্বংসী সংস্করণ পরীক্ষা করেছে পাকিস্তান
জিআইডিএস তৈমুর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি মডেল। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নৌবাহিনী বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈমুর-এর লাইভ মহড়া চালিয়েছে।

২১ এপ্রিল মিডিয়ায় পাঠানো এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) দপ্তর বলেছে, এই এই ক্ষেপনাস্ত্র মহড়ার মাধ্যমে নৌবাহিনী শত্রুপক্ষের সমুদ্র-ভিত্তিক হুমকি শনাক্ত এবং চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করার”  সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “পাকিস্তান নৌবাহিনীর এই প্রদর্শনী জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি, যা পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর বহুমুখী সমন্বিত হামলা কৌশল এবং প্রচলিত ক্ষেত্রে সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে”।

বিবৃতিটির সাথে একটি স্থিরচিত্র এবং একটি ভিডিও সংযুক্ত করা হয়। এতে রাডার প্রতিফলক উপাদানযুক্ত একটি ভাসমান বার্জ দেখা যায়, যা সম্ভবত একটি সারফেস কমব্যাট্যান্টের সিগনেচার অনুকরণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

ভিডিওটিতে, কমলা রঙের একটি ক্ষেপণাস্ত্রকে সমুদ্রের খুব কাছ দিয়ে উড়ে গিয়ে বার্জটিতে আঘাত হানতে দেখা যায়।

যদিও পাকিস্তান বিমান বাহিনী এর আগে স্থল লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে তৈমুর ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিল। তবে, ২১ এপ্রিলের এই মহড়াটিই সম্ভবত সমুদ্র-ভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষিত সরাসরি উৎক্ষেপণ।

আইএসপিআর উৎক্ষেপণের স্থান বা পরীক্ষায় ব্যবহৃত উৎক্ষেপণ মঞ্চের নাম প্রকাশ করেনি।

বিবৃতিতে এই উৎক্ষেপণে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সম্ভাব্য ভূমিকাও উল্লেখ করা হয়নি, যদিও পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম কোনো স্থির-ডানাযুক্ত যুদ্ধবিমান নেই।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ডিফেন্স সলিউশনস (জিআইডিএস) এই  বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈমুর তৈরি করছে।

সূত্র: জানেস