বাংলাদেশের নতুন সরকার যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “এপ্রিলে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, সরকার জুনে জাপানের টোকিওতে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই ফ্লাইটগুলো স্থগিত ছিল।
মিল্লাত জানান, ভবিষ্যতে একটি মিশ্র বিমানবহর তৈরির জন্য ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। তিনি যোগ করেন, “স্বল্পমেয়াদে বিমানবহর বাড়ানোর জন্য লিজসহ দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন বিমান যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” এর আগে, নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের এয়ারবাস থেকে বিমান কেনার সিদ্ধান্তকে উল্টে দিয়ে বোয়িং থেকে বিমান ক্রয় চূড়ান্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে।
জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ক্রমবর্ধমান বিমান সংকট মোকাবেলায় অন্তর্বর্তী সরকার বোয়িং থেকে নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনা করছে, যার আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন টাকা (২.৮ বিলিয়ন ডলার) বলে জানা গেছে।
ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে এবং পরিকল্পিত সম্প্রসারণকে সমর্থন করার জন্য আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫টি বিমানের প্রয়োজন হলেও, বিমান বর্তমানে আন্তর্জাতিক রুটে প্রায় ১৯টি বিমান পরিচালনা করছে।
এর আগে এদিন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বোয়িং বিমান ক্রয় বিষয়ে একটি বৈঠক করে।
এতে ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এই লক্ষ্যে বোয়িং বিমান যুক্ত করার বিষয়টি বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়।
আনাদুলু এজেন্সি