ইরানকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশমুখী জাহাজ চলাচল নিশ্চিতের আহ্বান

ইরানকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশমুখী জাহাজ চলাচল নিশ্চিতের আহ্বান
রোববার (১২ এপ্রিল) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি। ছবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানকে আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

রোববার (১২ এপ্রিল) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদির সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশমুখী জাহাজগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে তারা দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা উভয়েই অঞ্চল ও এর বাইরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে তার দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এর আগে ১ এপ্রিল ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, দেশটির সরকার হরমুজ প্রণালী দিয়ে পার হওয়ার অপেক্ষায় থাকা জ্বালানিবাহী ছয়টি বাংলাদেশমুখী জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে।

ওই সময় জাহানাবাদি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ইরান চায় না বাংলাদেশিরা কোনো দুর্ভোগে পড়ুক এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল। এ সময় প্রতিদিন মাত্র ৫-১১টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে, যেখানে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৩০টি জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করত।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও প্রণালী দিয়ে দৈনিক জাহাজ চলাচল ৭ থেকে ১১টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

বাসস