ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) নয়াদিল্লিতে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন নিয়ে এলো।
পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে হামিদুল্লাহ বলেন, “সাউথ ব্লকে সেনাপ্রধান (ভারতীয় সেনাবাহিনী) জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমি আনন্দিত এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি।”
এই বৈঠকটি আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এটি দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতায় ফেরার ইঙ্গিত দেয়। নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন পূর্ববর্তী সরকারের আমলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশে নিজেদের অবস্থান তৈরির চেষ্টা করেছিল এবং ইসলামাবাদ থেকে বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকা সফর করেছিলেন। ইউনুস তাঁর দেড় বছরের শাসনামলে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়।
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির প্রবক্তা তারেক রহমানের অধীনে নয়াদিল্লি ও ঢাকা পুনরায় একসঙ্গে কাজ শুরু করেছে, কারণ দুই দেশের নিরাপত্তা লক্ষ্য অভিন্ন, বিশেষ করে বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল) অঞ্চল এবং ভারত মহাসাগরের ক্ষেত্রে।
ভারত ও বাংলাদেশ অভিন্ন সামুদ্রিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা লক্ষ্যমাত্রার দিকেও নজর দিচ্ছে, যার অংশ হিসেবে ঢাকা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের নেভাল ডকইয়ার্ড থেকে শুরু হওয়া চলমান “আইওএস সাগর” মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছে।
এনডিটিভি