ইরানের
বিচার বিভাগের সংবাদমাধ্যম মিজান জানিয়েছে, তেহরানের প্রসিকিউটর অফিসের নির্দেশের ভিত্তিতে রাজধানীতে দীর্ঘদিন ধরে ভাষা শিক্ষার
আড়ালে পরিচালিত ওই কেন্দ্রটি বন্ধ
করে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রটির নাম ফ্রেঞ্চ ল্যাঙ্গুয়েজ
সেন্টার বা ফরাসি ভাষা
কেন্দ্র (সিএলএফ)।
ইরানের
বিচার বিভাগ অভিযোগ করেছে, কেন্দ্রটি কূটনৈতিক বিধিবিধান লঙ্ঘন করে ‘অবৈধ কর্মকাণ্ডে’
জড়িত ছিল।
এ ছাড়া কর্তৃপক্ষের দাবি,
ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন ও পরিচয়কে ব্যবহার
করে কেন্দ্রটি ইরানের প্রভাবশালী ও অভিজাত শ্রেণির
মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক গড়ে
তোলার চেষ্টা করেছে।
একই
সঙ্গে তাদের দেশ ছাড়ার সুযোগ
করে দেওয়ার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রটি ভূমিকা রেখেছে বলে অভিযোগ করেছে
ইরান।
তবে
এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিক্রিয়া
জানিয়েছে ফ্রান্স।
ফরাসি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার এক বিবৃতিতে বলেছে,
ইরানে ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক উপস্থিতির ওপর এ ধরনের
নতুন আঘাত ‘অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য’।
এ ঘটনায় ফ্রান্স ‘উপযুক্ত ব্যবস্থা’ নিয়ে জবাব দেবে
বলেও জানিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি ফরাসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারোর নির্দেশে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করার সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে ইরান ও ফ্রান্সের
মধ্যকার সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে
উঠেছে।
গত মাসে ফ্রান্স দুই
ইরানি কূটনীতিককে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। ইরানে দুই
ফরাসি কূটনীতিককে স্বল্প সময়ের জন্য আটক এবং
তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার
প্রতিক্রিয়ায় প্যারিস এ পদক্ষেপ নেয়।
ইরান
ওই দুই ফরাসি কূটনীতিকের
বিরুদ্ধে ‘ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলেছিল।
এএফপি