সামরিক সরকারের শান্তি আলোচনা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর
|
প্রকাশ : শনি ২৩ মে ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে শান্তি আলোচনা বসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে সরকারের শান্তি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে দুটি প্রভাবশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত করা সেই জেনারেল ও দেশটির প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং গত সোমবার (২০ এপ্রিল) এক বৈঠকে বলেছেন, এখনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে না আসা গোষ্ঠীগুলোকে ১০০ দিনের মধ্যে আলোচনায় যোগ দিতে হবে। তিনি ৩১ জুলাইকে চূড়ান্ত সময়সীমা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মিন অং হ্লাইং বলেন, যেসব গোষ্ঠী এখনো সংলাপে অংশ নেয়নি, তাদেরও আলোচনায় অংশ নিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। এ সময় তিনি ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের আগে কার্যকর থাকা জাতীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে (এনসিএ) স্বাক্ষর করা বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কথাও উল্লেখ করেন।
তবে কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন দ্রুত এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোষ্ঠীটির একজন মুখপাত্র বলেন, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর তাঁরা এনসিএ থেকে সরে এসেছেন এবং এ বিষয়ে আলোচনায় ফেরার কোনো তাঁদের পরিকল্পনা নেই।
একই অবস্থান জানিয়েছে চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টও। সংগঠনটির মুখপাত্র সালাই হটেট নি বলেন, তাঁরা সামরিক প্রভাবমুক্ত একটি ফেডারেল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় চেহারা বদলে নিজেদের ‘প্রশাসন’ হিসেবে যারা দাবি করছে, তাদের মেনে নিয়ে আলোচনায় বসার প্রশ্নই ওঠে না।
চলতি মাসের শুরুতে মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সমালোচকদের মতে, এই নির্বাচন ছিল প্রহসনমূলক। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের আবরণে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
নতুন এই প্রশাসনকে এখন পর্যন্ত খুব অল্পসংখ্যক দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
এ বিষয়ে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রধান সমন্বয়কারী বিরোধী জোট ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের মুখপাত্র নে ফোন লাট বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে বুঝে গেছি, সামরিক বাহিনীর এই ভুয়া আমন্ত্রণের উদ্দেশ্য জনগণের ওপর সামরিক শাসন দীর্ঘায়িত করা।’
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে। গণতন্ত্রপন্থী কর্মীরা বিভিন্ন জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে লড়াই শুরু করেন। এতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে গৃহযুদ্ধ, যার প্রভাব এখনো চলছে।
২০২২ সাল থেকে সামরিক সরকার জাতিগত সংখ্যালঘু নেতাদের সঙ্গে কয়েক দফায় শান্তি আলোচনা করেছে। তবে এসব উদ্যোগে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।
আল–জাজিরা
লাহোর
পুলিশ ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে
তাঁর বাসা থেকে গ্রেপ্তার
করেছে। ইমরানের মুক্তির দাবিতে
পাকিস্তান তাঁর দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে লং
মার্চের আয়োজন করে...
প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম ও নৌবাহিনী প্রধান
অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে সফররত চীনের
নৌবাহিনীর জাহাজ ‘...
ভারতে
পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসর ও আদালতের
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে কোনো ধরনের
অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে না পারে,
সে বিষয়ে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনারকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ...
বৃহস্পতিবার
(১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে ‘আদিবাসী
স্কুল ঠিক করো’ অভিযান
শুরু করতে যাচ্ছে ভারতের জেন-জি সংগঠন ককরোচ
জনতা পার্টি (সিজেপি)। এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ
দীপকে অভিযোগ করেন, বিগত প্রায় ৮০
বছর ধরে দে...
পাকিস্তান,
সৌদি আরব ও তুরস্কের
মধ্যে সই হওয়া মক্কা
প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্প্রসারণের পরিকল্পনা এখন নেই। পাকিস্তানের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এ ক...
ভারতের
সঙ্গে বিগত সরকারের করা
শতাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)–চুক্তি সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল
ইসলাম মনি। এ প্রসঙ্গে
তিনি বলেছেন, এই পর্যালোচনার ফলাফল
শিগগির আ...
কম বয়সী শিশুদের সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখতে
বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি থাকাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোম্পানিগুলো কীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করবে...
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চার দিনের সরকারি চীন সফরে বাণিজ্য ও সবুজ প্রযুক্তি
বিষয়ক বেশ কিছু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা প্রত্যা...